ইউরোপের নন সেনজেন ভুক্ত দেশের তালিকা ২০২৬ (সর্বশেষ আপডেট)

বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে যেতে আগ্রহীদের ইউরোপের সেনজেনভুক্ত দেশের তালিকা জানার পাশাপাশি ইউরোপের নন সেনজেন ভুক্ত দেশের তালিকা  সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে। বাংলাদেশ থেকে অনেকেই পড়াশোনা, ভ্রমণ, ব্যবসা ও চাকরির উদ্দেশ্যে ইউরোপে পাড়ি জমাতে চায়। সেনজেনভুক্ত এবং নন-সেনজেনভুক্ত দেশগুলোর ভিসা প্রসেসিং এর ক্ষেত্রে ভিন্নতা রয়েছে। এছাড়া সুযোগ-সুবিধা বিবেচনায় অনেক পার্থক্য রয়েছে।

বর্তমান ইউরোপের প্রায় ২৯টি দেশ সেনজেনভুক্ত হয়েছে। বাকি দেশগুলো নন-সেনজেনভুক্ত দেশ হিসেবে পরিচিত। ইউরোপ মহাদেশের ৫০টি দেশের মধ্যে বর্তমান প্রায় ১৭টি দেশ সেনজেন অঞ্চলের বাইরে রয়েছে। এই দেশগুলোর ভিসা নীতি সেনজেনভুক্ত দেশের নীতি থেকে অনেকটা ভিন্ন। তাই বাংলাদেশ থেকে ইউরোপ যাওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে হলে ইউরোপের নন সেনজেন ভুক্ত দেশের তালিকা  সম্পর্কে অবগত হতে হবে।

ইউরোপের নন সেনজেন ভুক্ত দেশের তালিকা ২০২৬

ইউরোপের সেনজেন ভিসা পাওয়া উন্নয়নশীল দেশের নাগরিকদের জন্য তুলনামূলক অনেক বেশি কঠিন হয়ে থাকে। তবে ইউরোপে যাওয়ার সঠিক গাইডলাইন থাকলে খুব সহজেই স্বপ্ন পূরণ করতে পারবেন। বর্তমান ইউরোপে ২১টি দেশ নন-সেনজেনভুক্ত দেশ রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে এই দেশগুলোতে যাওয়া তুলনামূলক সহজ। এই আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়লে ইউরোপের নন সেনজেন ভুক্ত দেশের তালিকা সম্পর্কে বিস্তারিত সবকিছু জানতে পারবেন।

নন-সেনজেনভুক্ত দেশের তালিকা ২০২৬
ক্রমিক নম্বরদেশের নাম
১আলবেনিয়া
২অ্যান্ডোরা
৩আর্মেনিয়া
৪আজারবাইজান
৫বেলারুশ
৬বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা
৭সাইপ্রাস
৮জর্জিয়া
৯আয়ারল্যান্ড
১০কসোভো
১১মলদোভা
১২মোনাকো
১৩মন্টেনেগ্রো
১৪উত্তর মেসিডোনিয়া
১৫রাশিয়া
১৬সান মারিনো
১৭সার্বিয়া
১৮তুরস্ক (তুর্কিয়ে)
১৯ইউক্রেন
২০যুক্তরাজ্য
২১ভ্যাটিকান সিটি

ইউরোপের সেনজেন ভুক্ত দেশের তালিকা ২০২৬

বাংলাদেশ থেকে ইউরোপের সেনজেনভুক্ত দেশের ভিসা পাওয়া তুলনামূলক অনেক বেশি কঠিন। বাংলাদেশের নাগরিকদের ইউরোপ ভিসা পাওয়ার রেশিও অনেক কম। ইউরোপের সেনজেনভুক্ত ভিসার অনেক সুবিধা রয়েছে। এই বিষয়ে বিস্তারিত আর্টিকেল লেখা হয়েছে। ২০২৬ সালে ইউরোপের সেনজেন অঞ্চল ২৯টি দেশ নিয়ে গঠিত। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৫টি দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয় এমন ৪টি দেশ আইসল্যান্ড, লিচেনস্টাইন, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড রয়েছে।

ইউরোপের সেনজেনভুক্ত ২৯টি দেশ হলো: অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রিস, হাঙ্গেরি, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন, সুইডেন, আইসল্যান্ড, লিচেনস্টাইন, নরওয়ে এবং সুইজারল্যান্ড।

FAQs

ইউরোপের নন-সেনজেনভুক্ত দেশ কয়টি ২০২৬

ইউরোপ মহাদেশের নন-সেনজেনভুক্ত দেশ মোট ২১টি।

নন সেনজেন ভুক্ত দেশ মানে কি?

নন-সেনজেনভুক্ত দেশ বলতে এমন দেশগুলোকে বোঝায় যেগুলো শেনজেন অঞ্চলের সদস্য নয়। সেনজেন চুক্তি অনুযায়ী, সেনজেন একক ভিসা দেওয়া হয়। বর্তমান সেনজেনভুক্ত ২৯টি দেশের বাইরে ইউরোপের সকল দেশকে নন সেনজেনভুক্ত দেশ বলে।

নন সেনজেন দেশের সুবিধা কি?

নন সেনজেনভুক্ত দেশের উল্লেখযোগ্য তেমন কোন সুবিধা নেই। প্রতিটি দেশের ভিসা নীতি আলাদা হয়ে থাকে। তবে এই দেশগুলোতে বাংলাদেশ থেকে যেতে খরচ কম হয়ে থাকে এবং ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। অধিকাংশ দেশে নিজস্ব মুদ্রা প্রচলিত রয়েছে। অবাধে শুধু পাসপোর্ট ব্যবহার করে ইউরোপের অন্যান্য দেশে যাওয়ার সুযোগ নেই।

নন সেনজেনভুক্ত কোন কোন দেশের ভিসা পাওয়া সহজ?

ইউরোপের ননসিন্দন মুক্ত দেশগুলোর মধ্যে উত্তর মেসিডোনিয়া, সার্বিয়া, মন্টেনেগ্রো, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা প্রভৃতি দেশগুলোর ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এই দেশগুলোতে কম খরচে যেতে পারবেন।

ইউরোপের নন সেনজেনভুক্ত কোন কোন দেশে যাওয়া উচিত?

ইউরোপের নন-সেনজেনভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড, ইংল্যান্ড এই তিনটি দেশ অনেক বেশি উন্নত। উন্নত জীবনযাপন এবং প্রতিমাসে বেশি বেতনে কাজ করতে চাইলে এই দেশগুলোতে যেতে পারেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top